পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়
ও সেই চোখের দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়??
২০১২ থেকে পাইলট এর সাথে যুক্ত আছি,
তখন থেকে এখন অব্দি এমন কোনো দিন নেই যেখানে পাইলট নিয়ে কিছু না কিছু বলিনি অথবা ভাবিনি!!এতটা ভালোবাসি প্রাণের বিদ্যালয়কে♥
আচ্ছা বলুন তো ভোলা যায় বছরের প্রথমেই বই দেয়া নেয়া নিয়ে যেই হুড়াহুড়ি টা চলে,??বন্ধুদের সাথে পাল্টা পাল্টি করা।
আবার টিপিনের সময় একসাথে বিশাল পাত্র থেকে নিয়ে নিয়ে খাওয়া,কে কার আগে গিয়ে টানা টানি করতে পারে(আমি অবশ্য করিনি এমন কখনো)😁।
আবার স্কুল পালানোর সময় মিজান স্যার এর সেই ঐতিহাসিক(Dhoom 3) বাইক দিয়ে দৌড় খাওয়া!!
ধরা খেলেই চাবির গুতো খাওয়া😑
বন্ধুদের সাথে ক্লাস না করে আড্ডা দেয়া, কখনো ধরা খেয়ে গেলে বাবা-মাকে বন্ধুর নাম্বার দিয়ে স্যার সাজিয়ে কথা বলানো😏
রেজাল্ট খারাপ হলে অবিভাবকের স্বাক্ষর নিজে দিয়ে দেয়া😐
ক্লাস রুমে মোবাইল নেয়া তো নিষেধ! ইসস রে এখন তো চেক দিবে, তখনই পাশের বন্ধুটার ব্যাগে ঢুকিয়ে দিয়ে নিজে ধোয়া তুলশি পাতা সাজা😂
পরীক্ষার হলে নকল করতে গিয়ে ধরা খেলে স্যার যখন বলত আরো ১০ জন কে ধরে না দিলে বসা যাবেনা তখন সুশীল বন্ধুদের ধরিয়ে দিয়ে নিজে বেচে যাওয়া😍
আর বড় ম্যাড়াম, শাহ আলম স্যার,ওহাব স্যার,বিপুল স্যার,, নাজমুল স্যার,সাহাবুদ্দিন স্যার,শাহজাহান স্যার,মকসুদ স্যার,জীবন স্যার,মিজান স্যার,শফিক স্যার,রফিক স্যার,সিরাজ স্যার, সালেহ আহমেদ স্যার সহ আরো সকল শিক্ষকদের ভালোবাসা,,শাসন, আদেশ,নিষেধ ইত্যাদি, মনে সব গেঁথেই রয়েছে😍
এভাবে কত শত স্মৃতি রয়েছে এই পাইলটে😍৫ টি বছর কতই না আনন্দে কাটে, কিন্তু যখন বিদায়ের ঘন্টা বেজে আসে তখন আর নিজের আবেগকে কন্ট্রোল করে রাখা খুবই জটিল হয়ে পড়ে😥বিশেষ করে রেগ ডে এর দিনে স্মৃতিগুলো সব মনে পড়তেই থাকে আর তখন অনেক বেশি খারাপ লাগে।😥
**জীবনের তাগিদে সবাই ছন্নছাড়া হয়ে গেলেও, আমরা কি পারিনা বেশ ঢাক,ঢোল পিটিয়ে আবার এক হতে প্রানের বিদ্যালয়ে??**এক হয়ে কাধে কাধ মিলিয়ে বলতে পারি না আবার এক সূরে
#চট্রগ্রাম_বিভাগের_সেয়ানা_পাইলট_ছাড়া_কেউ_না! 😍
হুম আমি পুনঃ মিলন (রিউনিয়ন) এর কথাই বলছি।।বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক হলে ইনশাআল্লাহ, শহর সুস্থ হলে আমরা পাইলট স্কুলের প্রাক্তন যারা বর্তমানে দেশে আছি (যাদের আশা সম্ভব) তারা সবাই এক হয়ে এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে একদিন সেই লাল বিল্ডিং এর সামনের চিরচেনা মাঠটিতে জমিয়ে আড্ডা দেয়া যেতে পারে,, এতে করে ইমিডিয়েট যারা বের হয়েছে এবং বর্তমান যারা অধ্যয়নরত আছে তারা গাইডলাইন পাবে,তারা জানবে পাইলট এর শিক্ষার্থীদের সফলতার গল্প,অনুপ্রানিত হবে,উৎসাহিত হবে।।পাশাপাশি প্রাক্তনদের আরেকবার একসাথে প্রানের গহীনে থাকা সেই জায়গায় আবার ফিরে আসা হবে,দেখা হবে ভালোবাসার শিক্ষকদের সাথে,,আড্ডা হবে প্রিয়বন্ধু,ছোট,ও বড় ভাই দের সাথে😍😍😍হবে ভালোবসার সেতুবন্ধন।♥
আমরা কি পারিনা আমাদের ব্যাস্ততম,যান্ত্রিক এই জীবনের ক্ষুদ্র একটা দিন এই পাইলটে কাটাতে??
অবশ্যই পারি চাইলে।
বিঃদ্রঃ কথা গুলো বলব বলে অনেক দিন অপেক্ষা করেছিলাম।কিন্তু সেরকম বড় কোনো প্লাটফর্ম পাইনি,তাই বলাও হয়ে ওঠেনি।।।এই গ্রুফে মোটামুটি অনেক পাইলটিয়ান আছেন, আমার অনেক বড় ভাইয়েরা আছেন যারা এখন অনেক ভালো ভালো অবস্থানে আছেন,,আমার ব্যাচমেট রা আছিস,এবং আমার ছোট ভাইয়েরা ও আছো।
সবার কাছ থেকে মতামত পেলে ভালো লাগতো যে এই মিলনের ব্যপারে কার কি মন্তব্য আছে।?
ধন্যবাদ সবাইকে।সবাই ভালো থাকবেন,ভালো রাখবেন, #পাইলটকে_হৃদয়ে_বাঁচিয়ে_রাখবেন।
—মেহরাব হোসেন শাওন।
–এস.এস.সি(২০১৭)।
–এক্স পাইলটিয়ান।
–ফেনী।

Leave a Reply