
এই প্রাচীন বিল্ডিংটাতেই জীবনের সবচেয়ে সেরা সময়টুকু কাটিয়েছি। পাইলটের ছাত্র ছিলাম এটাই জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন মনে হয়। কঠোর একদল শিক্ষকের মাঝে কুদ্দুস স্যার ছিলেন অক্সিজেনের মত। এক মাত্র আওরঙ্গজেব স্যার ও বিএসসি স্যার ছাড়া অন্যান্য স্যার ম্যাডামরা দুষ্টামি ও পড়াশুনার জন্য যত মারতেন আমরা তত হাসতাম!! বিশেষ করে ওয়াহাব স্যারের “কাগুরে…..” সহপাঠীগুলার কথা কিছু না বলাই উত্তম। প্রত্যেকটারে শয়তানির জন্য মাদাম তুসোর জাদুঘরে মমি বানিয়ে রাখা উচিত
বোর্ডে নাম উঠতো দুষ্টিমির জন্য তবু চলতো অবিরাম কথা বলা- খোঁচাখোঁচি…. ফলাফল নামের শেষে ২/৩/৪ স্টার!!! বেতের বাড়ি, কানে ধরে উঠ-বস, কম্বাচেঙ্গি, ডাস্টারের বাড়ি, কানে ধরে টানা বারান্দা প্রদক্ষিণ করে এসেও বেহায়ার মত হাসতাম সবগুলা….. মাঝেমাঝে মারামারি ও হতো নিজেদের মধ্যে তবে রাগটা ২/৩ দিনের বেশী থাকতো না। সব ভুলে মিলেমিশে আবার শয়তানি শুরু হতো…. মিস করি হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো ও মানুষগুলোকে
লিখেছেন ঃ Mahfuzul Hoque Bhuiyan

Leave a Reply